Filter by price
Showing all 6 results
প্রত্যাবর্তন
মোহ আর মিথ্যের মধ্য দিয়ে পথ চলতে চলতে একটা সময় আত্নাগুলো নিমজ্জিত হয় অন্ধকারের অতল গহ্বরে। সেই ভয়ার্ত অন্ধকার কূপ থেকে কেউ আলোর দেখা পায়, কেউ পায় না। কেউ নিজের আত্নাকে পরিশুদ্ধ করে নেওয়ার সুযোগ লুফে নেয়, কেউ নিজেকে হারিয়ে ফেলে অতল থেকে অতলে। যারা ফিরে আসে, কেমন হয় তাদের গল্পগুলো? সে রকম একঝাঁক পরিশুদ্ধ আত্নার গল্প নিয়েই ‘প্রত্যাবর্তন’।
প্রত্যাবর্তন ২
তারা ডুবে ছিলেন ভোগবিলাসিতায়, প্রাচুর্য আর লোভ-লালসায়। গাড়ি, বাড়ি, অর্থকড়ি, সম্মান ও যশখ্যাতি—সবই ছিল তাদের জীবনে। ছিল না কেবল মানসিক প্রশান্তি। তাদের অন্তরে ছিল অন্তহীন এক অতৃপ্তি। কীসের যেন এক শূন্যতা। হৃদয়জুড়ে এক নীরব আর্তনাদ। দিনের পর দিন প্রার্থনায় লীন হয়েছেন তারা। সত্যকে খুঁজে পেতে কখনো দিনরাত গবেষণা, কখনো-বা করেছেন জ্ঞানীদের সাথে বৈঠক-আলোচনা।
অবশেষে মহান আল্লাহর অশেষ করুণায় তাদের সামনে উন্মোচিত হয় এক আলোকিত পথ। সেই সাথে নেমে আসে কালবোশেখী ঝড়। লন্ডভন্ড হয়ে যায় তাদের এতদিনের সাজানো পৃথিবী। পাহাড়সম বাধা, কল্পনাতীত পরীক্ষা আর সীমাহীন যন্ত্রণা তাদের পথ আগলে দাঁড়ায়। তবু তারা সত্যের পথে অবিচল থাকে। আল্লাহকে ভালোবাসে তারা আঁকড়ে ধরে ইসলাম। খ্রিষ্টবাদ ছেড়ে ইসলামে আসা পাদরিদের এমনই অশ্রুভেজা, ঈমানদীপ্ত, বাস্তব সব ঘটনায় গড়ে উঠেছে আমাদের এবারের আয়োজন—‘প্রত্যাবর্তন ২.০’।
ফেরা
কিছু গল্প অলীক। কল্পনার জগতে তার জন্ম। পাঠককে অবাস্তব কিংবা পরাবাস্তব অভিজ্ঞতা দেয় সেসব গল্প। বাস্তব থেকে লেখকের কল্পনার জগতে বিবেক বদলি হয়।কিছু গল্প সত্যি। সত্য ঘটনাকে গুছিয়ে বলা হয় তাতে। শহুরে মানুষের কৃত্রিম কল্পনার জগৎ থেকে বাস্তবে আনা হয়। আসল বাস্তবতা।এ বইটাতে আমরা দুটো গল্প শুনব। দুই বোনের গল্প। তাদের ফিরে আসার গল্প। সত্যি গল্প। আশা করি গল্পদুটো পড়ে আনন্দের পাশাপাশি আমরা কিছু ভাবনার খোরাক পাব।
ফেরা ২
নীড়হারা আর কতকাল কেটে যাবে? আর কতকাল ভবঘুরে হয়ে, ভীষণ উদাসীনতায় কেটে যাবে আটপৌরে জীবনের অনাগত স্নিগ্ধ ভাের? এই ঝাঁঝালাে দুপুর, প্রসন্ন বিকেল, ধূসর গােধূলি, নিথর সন্ধ্যা, নির্জন রাত—আর কত দিন কেটে যাবে ভীষণ অন্ধকারে? সব পাখি নীড়ে ফেরে, সব নদী বয়ে যায় আপন ঠিকানায়; ফেরে না কেবল মানুষ! তবু কেউ কেউ ফিরে আসে৷ ফেলে আসে একজীবনের সমস্ত সম্মােহন৷ সেই ফেলে আসা, ছেড়ে আসা, রেখে আসা দুঃসাহসী দু-বােনের সত্যের পানে নির্নিমিখ ছুটে চলার উপাখ্যান দিয়ে সাজানাে হয়েছে ‘ফেরা-২।
বিশ্বাসের জয়
কোনো বই পড়ে কি আপনার ঈমান বেড়ে যাওয়ার অনুভূতি হয়েছে? মনে হয়েছে—মাত্রই কেউ আপনার হৃদয় বিধৌত করে গেছে অপার্থিব করুণাধারায়? পাঠক, ঈমানের ভিত নাড়িয়ে দেওয়ার মতো তেমনই এক অভূতপূর্ব রচনার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন আপনি। ‘বিশ্বাসের জয়’ এমনই একটি বই যা পড়লে আপনি অব্যশই ঈমানের দৃঢ়তা উপলব্ধি করবেন, ইনশাআল্লাহ। বইটির মূল বিষয়বস্তু একজন মুমিন ও একজন সংশয়ীর মধ্যকার আন্তরিক আলাপন। তবে সংশয়ীর খোরাকের চেয়ে ঈমানদারদের কাঙ্ক্ষিত উপঢৌকনই বেশি এই বইয়ে।
একপাঠে কিছু বইয়ের আবেদন শেষ হয়ে যায় না; কিছু বই তাই বারবার পড়তে হয়। এটি তেমনই একটি বই। আল্লাহর একত্ববাদ আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাসুল হিসেবে পৃথিবীতে আগমনের সত্যতার প্রমাণগুলো মমতা ও আন্তরিকতা দিয়ে অকাট্যভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এই বইয়ে। বইটির বিষয়বস্তু তৃষ্ণার্ত ও আন্তরিক হৃদয় নিয়ে অধ্যয়ন করলে আমাদের প্রতিটি নিঃশ্বাস কালিমার সত্যায়ন এবং আল্লাহর প্রতি একান্ত আত্মসমর্পণে উৎসর্গ করা ছাড়া গত্যান্তর থাকবে না, ইনশাআল্লাহ।
হিন্দু থেকে মুসলিম হওয়ার ঈমান-জাগানিয়া সাক্ষাৎকার
ভারতের মতো দেশে হিন্দু থেকে মুসলিম হওয়া যে কতটা বিপজ্জনক, এই বইয়ের প্রতিটি পৃষ্ঠা এর জ্বলন্ত সাক্ষী। শুধু সত্যগ্রহণের অপরাধে আমাদের ভাইবোনেরা যে ভয়াবহ নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েছেন, এই বই না পড়লে আমরা তা কল্পনাও করতে পারব না। এই অবর্ণনীয় জুলুম-নির্যাতনও থামাতে পারেনি তাদের ঈমানি কাফেলা। নিম্নবর্ণ থেকে নিয়ে উচ্চবর্ণ, কামার-কুমার থেকে নিয়ে নোবেলের জন্য মনোনীত কবিসাহিত্যিক-সহ সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষ আলোকিত হচ্ছেন ঈমানের নুরে। ঈমানের জন্য তাদের আত্মত্যাগ মনে করিয়ে দেয় সাহাবিযুগের কথা। প্রতিটি ঘটনাই গল্পউপন্যাসের চরিত্রকেও হার মানায়।
ঈমান তাজা করার জন্য কেউ যদি একটি মাত্র বই পড়তে চান, তিনি যেন এই বই পড়েন। যদি দুটি বই পড়তে চান, তবে এই বইটিই যেন দ্বিতীয়বার পড়েন।