Filter by price
Showing 1–12 of 15 results
আত্মশুদ্ধির ব্যাবহারিক পাঠ
প্রতিদিন আমাদের জীবনে কত বিচিত্র ঘটনা ঘটে । কোনোটা সুখের, কোনোটা দুঃখের । সুখের ঘটনাগুলো জীবনে আনন্দের সাময়িক পরশ বুলালেও দুঃখের ঘটনাবলি যাপনকে ব্যাকুল করে রাখে বেদনায় । লেখক এই বইয়ে দেখিয়েছেন, কীভাবে আমরা চাইলেই আমাদের জীবনের দুঃখের গল্পগুলোকে সুখের গল্পে রূপান্তর করতে পারি । দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ঘটনায় ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি লালনের নানা কলাকৌশল তিনি তুলে ধরেছেন দারুণ মুনশিয়ানায় । তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে প্রাত্যহিক জীবনে শুদ্ধাচারের মধ্য দিয়ে সমাজের সকলের কাছে প্রিয়ভাজন হওয়ার পাশাপাশি আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দাদেরও একজন হয়ে উঠব, ইনশাআল্লাহ । নিজেকে পরিশুদ্ধ করার মহান এই যাত্রায় আপনাকেও স্বাগতম।
আল ফাওয়াইদ (মুখতাসার)
মানুষের যাবতীয় কাজকর্মের মূল নিয়ন্ত্রক তার মন। মন পরিশুদ্ধ ও প্রফুল্ল থাকলে মানুষের মধ্যে ভালোকাজের অনুপ্রেরণা জাগে। আর মন কলুষিত থাকলে হয় এর উলটোটা। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভাষ্যমতে—‘যদি মন সুস্থ থাকে, তাহলে সুস্থ থাকে গোটা দেহ। আর মন অসুস্থ হয়ে পড়লে গোটা দেহই হয়ে পড়ে অসুস্থ।’ তাই দুনিয়া-আখিরাতসহ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফল হতে হলে মনের সুস্থতার কোনো বিকল্প নেই। এজন্য নিয়মিত মনের পরিচর্যা করতে হয়। অসুস্থ হয়ে পড়লে সেবা-শুশ্রূষা করতে হয় তার। মন যেন সবসময় সঠিক পথে পরিচালিত হয়, বাঁকা পথে চলে না যায়, খেয়াল রাখতে হয় সেদিকে। ইমাম ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ মানুষের মনের চিকিৎসক। অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বুঝতে পারেন মানবমনের গতি-প্রকৃতি, তার চিকিৎসার পথ-পদ্ধতি। ‘আল-ফাওয়াইদ’ গ্রন্থটি তার সে অভিজ্ঞতারই সার-নির্যাস।
ইজ মিউজিক হালাল
এ বইটি মুসলিম-অমুসলিম, যুবক-বৃদ্ধ, ছাত্র-শিক্ষক নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের জন্য চমৎকার একটি রচনা। মিউজিক কেউ ভালোবাসুক বা না বাসুক—গ্রন্থটির পরিসর সবাইকে ঘিরেই। ইসলামে মিউজিকের প্রকৃত অবস্থান জানানো এবং অন্বেষণকারীদের জন্য তিয়াস নিবারণ গ্রন্থটির প্রধান উদ্দেশ্য। তবে ধর্মীয় সূত্র ছাড়াও এখানে স্থান পেয়েছে সামাজিক, ঐতিহাসিক এবং চিকিৎসাবিজ্ঞান থেকে সংগৃহীত অসংখ্য দলিল-প্রমাণ। ফলে বইটির গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে গেছে বহুগুণে। মিউজিক ও ইসলাম সম্পর্কে আমাদের না জানা, না বোঝা কিংবা ভুল বোঝার অবসান আবদ্ধ রয়েছে এই দুই মলাটের মধ্যে।
এনজয় ইয়োর লাইফ
জীবন কারও কাছে রঙিন, কারও কাছে সাদাকালো। কারও জন্য সুখের নীড়, কারও জন্য তাসের ঘর। জীবনকে দেখে কেউ মেকি হাসে, কেউ করে মায়াকান্না। কেউ বিমল আনন্দ উদযাপন করে আর কেউ পুড়ে মরে অব্যক্ত বেদনায়। এতসব রূপ-রং-বৈচিত্র্যের বিপরীতে বেশিরভাগ মানুষই কেবল কোনোরকমে জীবনটাকে পার করে যায়; জীবনকে উপভোগ করা আর হয়ে ওঠে না। অথচ ভোগ নয়, উপভোগ; যাপন নয়, উদযাপনই কাম্য।
জীবনকে উপভোগ করতে হলে দরকার একটি প্রশান্ত হৃদয়। যে হৃদয়ে ভরপুর থাকবে দয়ামায়া, ভালোবাসা, সহানুভূতি ও সদাচরণের মতো মহৎ গুণাবলি। হিংসা-বিদ্বেষ, অহংকার, নির্মমতা ও জিঘাংসার কোনো বালাই থাকবে না সেখানে। এমন হৃদয়ের অধিকারীগণ জীবনকে যথাযথভাবে উপভোগ করতে পারেন। দুনিয়া ও আখিরাতে তারাই লাভ করেন মহিমান্বিত জীবন। জীবন উপভোগের অজস্র পন্থা পাঠকের সামনে উন্মোচিত করবে এ বই।
এবার ভিন্ন কিছু হোক
লুসাই পাহাড় বেয়ে এঁকেবেঁকে নেমে আসা অপরূপ নদী কর্ণফুলির অঞ্চল থেকে উঠে আসা একজন লেখক-আরিফ আজাদ। সত্যের পেছনে নিরন্তর ছুটবার অদম্য নেশা থেকে সাংবাদিক হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু জীবন তাকে টেনে এনেছে লেখালেখির জগতে। সাংবাদিক হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়নি, কিন্তু সত্য এবং সুন্দরে তার যে সবিস্ময় মুগ্ধতা, সেই মুগ্ধতার ঘোর তাকে নিয়ে এসেছে সত্য তুলে ধরবার এমন এক দুনিয়ায় যেখানে দাঁড়িয়ে তিনি মিথ্যের কুয়াশাকে মুছে দিতে চান ভোরের ঝলমলে আলো দিয়ে। আরিফ আজাদ লেখালেখির জগতে পদার্পণ করেন ‘প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ’ লিখে। তার পরের ঘটনাপ্রবাহকে যদি এক শব্দে তুলে ধরতে হয়, তবে বলতে হবে অবিশ্বাস্য! বাংলা সাহিত্যে প্রথম বই দিয়ে কেকজন লেখক ইতিহাস গড়েছেন, আরিফ আজাদীনিঃসন্দেহে তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য। যেন তিনি রূপকথার সেই বীর যিনি ‘এলেন, দেখলেন আর জয় করে নিলেন’।
তবে সেখানেই থেমে যাননি তিনি। ‘আরজ আলী সমীপে’, ‘প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২’, ‘জীবন যেখানে যেমন’ আর ‘নবি-জীবনের গল্প’-সহ উম্মাহর জন্য উপকারী চমৎকার সব রচনা উপহার দিয়ে সেই জায়গাটিকে তিনি পোক্ত করে চলেছেন অবিরত। তবে ২০২০ বইমেলায় প্রকাশিত ‘বেলা ফুরাবার আগে’ বইয়ে আরিফ আজাদ হাজির হয়েছেন একেবারেই ভিন্নভাবে। মানুষের ভেতর জীবনবোধ জাগানোর জন্য লেখক যেন সমস্ত আয়োজন সাজিয়ে বসেছেন।
পাঠকনন্দিত সেই ‘বেলা ফুরাবার আগে’ বইয়ের দ্বিতীয় কিস্তি হিসেবে লেখক এবার উপস্থিত হয়েছেন ‘এবার ভিন্ন কিছু হোক’ নিয়ে।
কাজের মাঝে রবের খোঁজে
অতি ক্ষুদ্রকায় বীজ, যৎসামান্য বস্তু, অথচ একদিন সেটা বটবৃক্ষ হয়ে বিশাল আকার ধারণ করে। প্রকাণ্ড সব ডালপালা মেলে ধরে বিস্তীর্ণ পরিসরে। জগতের যা কিছু নতুন, যা কিছু সত্য আর সুন্দর, যা কিছু পরম আর পবিত্র, তার শুরু তো এই ক্ষুদ্র থেকেই। কবির ভাষায়, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণা, বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তোলে মহাদেশ, সাগর অতল। হ্যাঁ, আমরাও বুনেছি নেক আমলের বীজ। একদিন পরম যত্ন, মমতা আর ভালোবাসার ছোঁয়ায় এই বীজ পরিণত হবে গগণচুম্বী মহিরুহে। সুশীতল ছায়া, সুমিষ্ট ফল আর সবুজের মেলা—সবই তো পাব তার থেকে। প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে এমন একটি মহিরুহ দেখব বলে আমরা রোপণ করেছি ভালোবাসায় মোড়া বিশুদ্ধ এক স্বপ্নচারা। সেই স্বপ্নচারাটির নাম ‘নেক আমলের বীজ বুনে যাই’।
গল্প নয়, একমুঠো আলো
বহতা নদীর স্রোতের মতো বয়ে যায় সময়। ঢেউয়ের তোড় ঠেলে, জলকল্লোলে দুলে দুলে ছুটে চলে জীবনতরি। ঘাটে ঘাটে নোঙর করে সওদা নেয়; হাটে হাটে ফেরি করে পুঁজি জমায়। এভাবে এগিয়ে যায় অন্তিম মোহনায়। যখন সন্ধ্যা নেমে আসে, থেমে যায় ইহজীবনের বাইচ; শুরু হয় পরপারের যাত্রা। সেই যাত্রার পাথেয় এখান থেকেই সঞ্চয় করে নিতে হয়।
পার্থিব জীবনের সর্বোত্তম পাথেয় তাকওয়া তথা আল্লাহর ভয়। মুমিন বান্দার মনে সবসময় আল্লাহর ভয় থাকে। তার কথায় ও কাজে এটা ফুটে ওঠে। তাই সে জীবনযাপনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এ পাথেয় সামনে রাখে, এর আলোকে পথ চলে। এটাই ইসলামের মহান শিক্ষা, জীবন গড়ার দীক্ষা। এ বইয়ে গল্পের আবহের ভেতর দিয়ে ইসলামের এ শিক্ষাকে তুলে ধরা হয়েছে।
জীবন পথে সফল হতে
‘জীবন’ একটি প্রতিযোগিতার নাম। এই প্রতিযোগিতা শুরু হয় মায়ের উদর ছেড়ে পৃথিবীতে আগমনের সাথে সাথে; আর তা শেষ হয় মৃত্যু-পূর্ব শেষ নিঃশ্বাসটি ত্যাগ করার মধ্য দিয়ে। জীবন এবং মৃত্যুর মাঝে সময়ের এই সমীকরণটুকুর নামই হলো ‘পরীক্ষা’। এই পরীক্ষায় অতিক্রান্ত পথগুলো দুর্গম, বন্ধুর। প্রতিটি পদে পদে লুকিয়ে আছে বিপদ। পা পিছলে গেলেই রয়েছে অতল গহ্বরে তলিয়ে যাবার সমূহ শঙ্কা। যদি জীবনটাকে গুছিয়ে নেওয়া যায়; যদি সাজিয়ে নেওয়া যায় সঠিকভাবে, তবে অর্জিত হয় জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য-উদ্দেশ্য।
দোদুল্যমান জীবনের এমন কঠিন সমীকরণে, জীবন নামক এই প্রতিযোগিতায় জিতে যাওয়ার বেশকিছু নিয়ামক রয়েছে, রয়েছে বেশকিছু উপায়, পথ এবং পদ্ধতি। উচ্ছল তারুণ্যের কঠিন সেই সময়ে সঠিক দিক-নির্দেশনার সাথে সুন্দর এবং সফল জীবন-গঠনের বিবিধ পরামর্শই মলাটবদ্ধ হয়ে এসেছে জীবন পথে সফল হতে রূপে।
জীবন যদি হতো নারী সাহাবির মতো
তারা ছেড়ে এসেছিলেন আয়েশি জীবন, চাকচিক্যময় দুনিয়া; রঙিন আর স্বাপ্নিক সব মুহূর্ত। তারা ছুটে চলেছিলেন এক ধ্রুব সত্যের পানে, যে সত্য নিয়ে এসেছিল এক ভিন্ন জীবন, ভিন্ন ভুবন। তারা ডুব দিলেন এক পবিত্র, শুভ্র-সফেদ জীবনসমুদ্রে। তারা তুলে আনলেন মণিহার, মুক্তোর মালা। তাদের জীবনালেখ্যে কত না সংগ্রাম, কত না ত্যাগ আর হারানোর গল্প লুকিয়ে আছে। সে গল্পগুলোই আমাদের আয়না। আয়নার নাম ‘নারী সাহাবির পথে’। এই আয়নায় আমরা দেখে নেব নিজেদের অবয়ব। নিজেদের ভুল-ভ্রান্তি আর শূন্যতাকে পূর্ণতায় রুপ দিতে চলুন মেলে ধরি সেই আয়না…
বাক্সের বাইরে
বাক্সগুলো সাধারণত আমরা জন্মসূত্রে পেয়ে থাকি। পরিবার থেকে, সমাজ থেকে। বাক্সগুলো আরামদায়ক—তাতে যে আমরা বন্দি আছি, সে বোধটা আসে না মোটেই। বাক্সের ভেতরে আবর্তিত হয় নাওয়া-খাওয়া-ঘুম-বংশবৃদ্ধির চক্র। নিতান্তই গৃহপালিত পাশবিক জীবনযাপন!
বাক্সের বাইরেটা আলোকিত, তাতে অনেক কিছুর আসল রংটা বোঝা যায়। সেখানে বাঁচাটা কঠিন হলেও আনন্দের। বাক্সের বাইরের পথটা আপাত দুর্গম হলেও তার শেষে অকল্পনীয় প্রাপ্তি আছে।
এ বইটার লেখাগুলো না গল্প, না প্রবন্ধ—দেশ, সমাজ, ধর্ম, জীবন, সম্পর্ক সবকিছুকে অন্য আঙ্গিকে দেখার প্রয়াস থেকে লেখা। বাক্সের বাইরে বাঁচার চেষ্টা করছে এমন একজন মানুষের লেখা। বাক্সের বাইরে ভাবতে চায় এমন মানুষদের জন্য লেখা।
বেলা ফুরাবার আগে
জীবনের কতগুলো বসন্ত পার হয়ে গেছে, ম্লান হয়ে গেছে কতশত কাকডাকা ভোর। আবছা স্মৃতির মতো, জীবন আস্তে আস্তে আচ্ছন্ন হয় ধূসরতায়। সময়ের সরল সংখ্যা কমে আসছে ধীরে ধীরে। সব পাখি নীড়ে ফেরে। সব নদী ফিরে যায় মোহনায়। তবু কিছু মানুষ, ভ্রান্তির মায়াজাল ভেদ করে, ফিরে আসতে চায় না। মোহ আর মায়ার বাঁধন ছিন্ন করে তারা ছুটতে পারে না আদিগন্ত অনন্তের পথে।
তবু ফিরতে হবে। বেলা ফুরাবার আগে, ঠিক ঠিক চিনে নিতে হবে পথ। সন্ধ্যের ঘনঘোর আঁধারের অতলতায় ডুবে যাবার আগে, জীবন তরিটিকে ভেড়াতে হবে কূলে। রাতেরও শেষ আছে। ক্লান্তিরও আছে অবসান। জীবনের জড়তার জোয়ার ছেড়ে, নতুন করে একবার, শুধু একবার জ্বলে উঠতে হবে। নিজেকে আরেকবার ঝালিয়ে নিতে আজ তবে ডুব দেওয়া যাক…
যে জীবন মরিচিকা
দুনিয়া এক দুর্নিবার মোহের হাতছানি। এই মোহনিয়া হাতছানির ইশারায় প্রলুব্ধ হয়ে মানুষ একসময় ভুলে যায় জীবনের নির্মোহ ও চিরন্তন সত্য। সেই সত্য হলো দুনিয়া তার চিরস্থায়ী কোনো আবাস নয়, ক্ষণিকের পরবাসমাত্র। তাকে একদিন সবকিছু ছেড়ে পাড়ি জমাতে হবে তার অলঙ্ঘনীয় অন্তিম পাথারে।
মানুষ জানে, একদিন জীবনের শৃঙ্খল ভেঙে যাবে, থেমে যাবে সব রঙিন স্বপ্ন; ফিকে হয়ে যাবে জীবনের সব মধুর সম্পর্ক। তবুও মানুষ ভালোবাসে মরীচিকাসম এ দুনিয়া। আর এই মরীচিকা ঘিরেই তৈরি হয়ে চলছে মানুষের অন্ধ-জীবনের ব্যস্ত-ধারাপাত।
কিন্তু মানুষকে একদিন প্রত্যাবর্তন করতেই হবে প্রস্থানের চিরন্তন নিয়মের কাছে। মিছে এ দুনিয়ার পেছনে ধাবিত বিভ্রান্ত ও মোহমুগ্ধ মানুষগুলোকে মহাসত্যের পরিচয় জানাতে আমাদের এবারের ক্ষুদ্র এ প্রয়াসের নাম যে জীবন মরীচিকা।