Filter by price
বিষয়
- অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রোডাক্টিভিটি 4
- আত্মশুদ্ধি ও আত্মোন্নয়ন 15
- আরবি ভাষা ও সাহিত্য 2
- আল্লাহর গভীর পরিচয় 4
- ইবাদত, আমল ও দুআ 8
- ইসলাম, পরিবার ও জীবন 4
- ইসলামি গল্প ও সাহিত্য 7
- ইসলামি বিধি-বিধান ও মাসআলা-মাসায়েল 4
- ইসলামের প্রাসঙ্গিকতা ও সংশয় নিরসন 6
- ঈমান ও আকিদা 2
- কিয়ামত ও পরকাল 3
- কুরআন ও জীবন 11
- জিন, জাদু ও নববি চিকিৎসা 3
- মুসলিম সভ্যতা, ইতিহাস ও ঐতিহ্য 6
- মুসলিমদের অবশ্যপাঠ্য হাদিসগ্রন্থ 2
- রামাদানের ইবাদত ও আমল 3
- রাসুলুল্লাহ ﷺ এর জীবন 9
- সন্তান প্রতিপালন 9
- সাহাবি ও মুসলিম মনীষীদের জীবনী 10
- হিদায়াত ও দ্বীনে ফেরার গল্প 6
Showing 97–108 of 118 results
সন্তান স্বপ্ন দিয়ে বোনা
সন্তান, নিছক কোনো জৈবিক ক্রিয়ার ফল নয়; বরং তারা আমাদের স্বপ্ন, আমাদের পৃথিবী এবং আখিরাতের পাথেয়। সন্তানকে যদি শৈশব থেকে সদাচরণ, সত্য কথা বলা আর পাপ-পুণ্যের পাঠ না দেওয়া হয়, তাহলে বড় হওয়ার সাথে সাথে সেই সন্তান মা-বাবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাকে আর কোনোভাবেই মূল্যবোধের পাঠ শেখানো যায় না।
একজন মুসলিমের কাছে সন্তান প্রতিপালনের দায়িত্বটা আরও বিশাল। মুসলিম মা-বাবার অবশ্য কর্তব্য হলো—তাদের সন্তানদের প্রকৃত মুসলিম হিসেবে গড়ে তোলা। সন্তানকে প্রকৃত মুসলিম হবার এই পাঠ খুব শৈশবেই দিতে হয়। সন্তান যেদিন জন্মলাভ করে, সেদিন থেকেই মা-বাবার ওপর এই দায়িত্ব এসে পড়ে।
সন্তানের নাম রাখা থেকে শুরু করে তার আকীকা, তার শিক্ষাদীক্ষাসহ বিস্তৃত দিকনির্দেশনামূলক বইয়ের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেই কলম হাতে তুলে নিয়েছেন উস্তায আকরাম হোসাইন হাফিজাহুল্লাহ। সন্তান গ্রহণের উপযুক্ত সময়-নির্ধারণ থেকে শুরু করে একেবারে সন্তানের লালন-পালনের খুঁটিনাটি বিষয়সমূহও লেখক নজরে এনেছেন। এমনকি, নিঃসন্তান দম্পতি, তাদের প্রতি অন্যদের আচার-আচরণ ও সমাজের অবস্থানের বিষয়াদিও স্থান পেয়েছে লেখকের কলমে।‘প্যারেন্টিং’ বিষয়ে উস্তায আকরাম হোসাইন হাফিযাহুল্লাহর ‘সন্তান : স্বপ্ন দিয়ে বোনা’ বইটি সন্তানদের ভালো মানুষ, ভালো সন্তান এবং সর্বোপরি প্রকৃত মুসলিম হিসেবে গড়ে তুলতে মা-বাবাদের কিছুটা হলেও উপকারে আসবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
সন্তানকে বইমুখী করার কৌশল
আদর্শ পরিবার সিরিজের ৬ষ্ঠ বই ‘সন্তানকে বইমুখী করার কৌশল’। যে কারণে আমরা এ বইটি পড়ব— ১. আপনার সন্তান কি স্মার্টফোন আর ভিডিও গেমসে আসক্ত? সে কি একদমই বই পড়তে চায় না? পড়ার কথা বললেই কি তার মাথা ঘুরায়, পেট ব্যথা করে? তাহলে তো এই বইটি পড়া আপনার জন্য ফরজ! ২. বইয়ের প্রতি শিশুদের ভালোবাসা বাড়িয়ে দিতে, বইয়ের সাথে পরম বন্ধুত্ব তৈরি করতে, বইপাঠের গুরুত্ব এবং জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনীয়তা ওদের সামনে মেলে ধরতে, সর্বোপরি একটি শিশুকে পরিপূর্ণভাবে বইমুখী করে গড়ে তুলতে হলে এমন একটি বই আপনার সংগ্রহে থাকতেই হবে। ৩. কিন্তু বাবা-মা হিসেবে সন্তানের হাতে আপনি কোন বইটি তুলে দেবেন? কেমন গল্প শুনিয়ে তাকে প্রতি রাতে ঘুম পাড়াবেন? কোন বইটি তাদেরকে সত্যের পথে নিয়ে যাবে আর কোন বই তাদেরকে আঁধারে নিমজ্জিত করবে—এ ব্যাপারে সঠিক দিকনির্দেশনা পাবেন বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটিতে।
সন্তানের বয়ঃসন্ধিকালের মনস্তত্ত্ব
আদর্শ পরিবার সিরিজের ৪র্থ বই ‘সন্তানের বয়ঃসন্ধিকালের মনস্তত্ত্ব’। যে কারণে আমরা এ বইটি পড়ব— ১. এ বইটি পড়লে কিশোর-কিশোরীদের চিন্তাজগতের সাথে পরিচিত হওয়া যাবে। সেই সাথে তাদের পছন্দ-অপছন্দের বিষয়বস্তু সম্পর্কেও সুস্পষ্ট ধারণা মিলবে। ২. কিশোর-সন্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করতে এবং তাকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে এ বই আপনাকে উপহার দেবে চমৎকার সব কৌশল আর কার্যকরী পদক্ষেপ। ৩. কৈশোর মানবজীবনের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ সময় প্রতিটি বাবা-মায়ের উচিত সন্তানের পাশে থাকা, তার সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করা এবং ভালো কাজের ব্যাপারে তাকে উৎসাহ জোগানো। ৪. যেসব কিশোর-কিশোরী খারাপ বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে বিপথে চলে গিয়েছে কিংবা ইন্টারনেটের ভয়ংকর জগতে নিমজ্জিত রয়েছে তাদেরকে সুন্দর জীবনে ফিরিয়ে আনতে এ বইটি হতে পারে এক মোক্ষম দাওয়াই।
সবর
আমাদের জীবনটা বড্ড সমস্যা সংকুল। এই জীবন কখনো যদি আমাদের সামনে বিপদের ঢালি নিয়ে হাজির হয়, আমরা ভেঙে পড়ি। ভেতরে ভেতরে গুড়িয়ে যাই। আমরা বুঝতে চেষ্টা করিনা যে, বহতা নদীর স্রোতের মতো জীবনের গতিপথ সরল এবং সোজা নয়; বরং তা সৃষ্টিগতভাবেই দুর্গম, বন্ধুর এবং কণ্টকাকীর্ণ।
মুমিন ব্যক্তি মাত্রই বিশ্বাস করে যে, যত সংকটই আসুক না কেন, তা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। ফলে সে বিপদে পড়েও ক্ষোভ, হতাশা ও অস্থিরতা প্রকাশ করে না। বরং নিজের ভাষা ও আচরণ সংযত রাখে। কারণ, সে আল্লাহর প্রতি গভীরভাবে বিশ্বাসী। সে বিশ্বাস করে যে, মুমিনের জন্য বিপদ-আপদ নিয়ামতস্বরূপ। কারণ, এর দ্বারা গুনাহ মাফ হয়। বিপদে ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নিকট থেকে যথাযথ প্রতিদান পাওয়া যায়। তাই মুমিন বিপদে পড়লে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি কান্নাকাটি করে। আল্লাহর কাছে নিজের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে। সৃষ্ট জীব থেকে বিমুখ হয়ে এক আল্লাহর দিকে ফিরে আসে।
সবুজ রাতের কোলাজ
নজীবের সাথেপরিচয় তাঁর কবিতার মাধ্যমেই। যেদিন তাঁর কবিতা পড়ি, সেদিন অস্ফুটে বলে উঠেছিলাম—”আমরা পেয়ে গেছি আমাদের নতুন আল মাহমুদ। আমাদের নতুন ফররুখ আহমদ।” আমি নজীবের কবিতার একজন একনিষ্ঠ ভক্ত। আমি এবং আমরা যে রেঁনেসার স্বপ্ন দেখি, সেই রেঁনেসায় নজীবের ভূমিকা হবে বিশাল কিছু। আমি দেখতে পাই—একটি সবুজ দেশ। একদল তরুণ আলোর মশাল হাতে এগিয়ে যাচ্ছে। নজীব তাদের নেতৃত্বে।নজীদের তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ সবুজরাতের কোলাজ। যখন শুনলাম আমাকেই বইটার ভূমিকা লিখতে হবে, চিন্তায় পড়ে গেলাম। আমরা কী সাধ্য আছে তাঁর প্রতিভার, তাঁর কাজের কয়েকটি শব্দে মূল্যায়ন করার? নজীবের অন্যান্য কবিতার বইয়ের মতো এ বইয়েও স্থান পেয়েছে তাঁর বেশকিছু অনন্য অসাধারণ কবিতা। এতে আল আকসা নিয়ে কবিতা আছে, নাইয়র কাব্য, আমি কেন কবি, আমি যেদিন বাবা হবো নামে আছে দুর্দান্ত সব কবিতা। আমি আশাবাদী, কবিতাগুলো পাঠকদের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ্।’-আরিফ আজাদ
সালাফদের জীবনকথা
ঐশী আলোয় উদ্ভাসিত যে-জীবন, কতই না উত্তম সেই জীবনের গল্প। নববী আদর্শে উজ্জ্বল যাদের পদরেখা, কতই না মহিমান্বিত সেই জীবনধারা। সেই জীবন এমন এক অঙ্কিত ছবির মতো, যেখানে রঙতুলিতে আঁকা হয় মহান রবের সান্নিধ্য লাভের পথ। সেই পথ মুখরিত হয়ে আছে কুরআনের সুর-তাল-লহরিতে। আলোকিত হয়ে আছে এমন এক অপার্থিব আলোয়, যে-আলো প্রথম ঝলমল করে উঠেছিল নির্জন, নিস্তব্ধ হেরার অন্ধকারে। এরপর, সেই আলোর বিচ্ছুরণে যাদের জীবন রাঙিয়ে উঠেছিল, তারাই আমাদের মহান পূর্বসূরি। আমাদের উত্তম পূর্বপুরুষ। আমাদের সালাফ। তাদের যাপিত জীবনের প্রতিচ্ছবির নাম ‘সালাফদের জীবনকথা’।
সাহাবিদের অনন্য জীবন
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবিগণ সোনালি যুগের সোনার মানুষ। তাদের জীবন গড়ে উঠেছে স্বয়ং নবিজিকে দেখে, তার কথা ও কাজের প্রত্যক্ষ অনুকরণে। নবিজির জীবনকে তাদের মতো করে আর কেউ দেখেনি। তাদের মতো করে আর কেউ ভালোবাসেনি আল্লাহর রাসুলকে। ইসলামের জন্য তারা যেসব কষ্ট সহ্য করেছেন এবং যেভাবে নবিজিকে সঙ্গ দিয়েছেন, এর কোনো তুলনা হয় না। তাই তারা মানুষ হিসেবে শ্রেষ্ঠ ও অনন্য।
এ বইয়ে অর্ধশতাধিক সাহাবির জীবনকথা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। দ্বীনের জন্য তাদের অসীম আত্মত্যাগ, অবিচল মনোবল, ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই এবং জীবনদানের ঘটনাগুলো পড়তে পড়তে পাঠকমন আপ্লুত হয়ে উঠবে। অজান্তে ভিজে উঠবে চোখের কোণ। সেইসাথে হৃদয়ে জাগবে সাহাবিদের মতো অনন্য জীবন গড়ার প্রত্যয় ও উদ্দীপনা।
সিরাজাম মুনিরা
ধু-ধু মরুভূমির পরতে পরতে ছড়ানো রুক্ষতা তখন বালুকাময় প্রান্তর ছাপিয়ে আসন গেড়েছিল মনন ও মগজে। আত্মসমর্পণ, ভরসা, ন্যায়-অন্যায়ের মানদণ্ড, অঙ্গীকার রক্ষা, ক্ষমা, কল্যাণকামিতা, সান্ত্বনা ও প্রজ্ঞা—সব পুড়ে পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছিল সেই রুক্ষতায়। ধুকছিল বিপন্ন মানবতা। শয়তানি ছোবল আর ঘোর অমানিশায় নিস্তেজ হয়ে পড়ছিল সত্যের আলো। কী এক বিভীষিকা!
সহসা এক আলোর বন্যায় যেন গেল সব বাতুলতা। ধুকতে থাকা প্রাণে জাগল উচ্ছ্বাস। কী মায়া, কী মমতায় জড়াতে এলেন তিনি! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। খুইয়ে বসা সবই ফিরে পেয়ে সভ্যতা টানল স্বস্তির শ্বাস। তার চারিত্রিক মাধুর্য ও অনুপম ব্যক্তিত্বের স্বীকৃতিতে ঘোষিত হলো—‘তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’
কী সেই আদর্শ? কেমন ছিল তার জীবনযাপন, তার ভালোবাসা? কী শেখার আছে সেখান থেকে? এ বইয়ের পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠাজুড়ে নবিজির শাশ্বত সেই আদর্শের হৃদয়গ্রাহী শব্দচিত্রই এঁকেছেন লেখক। পাঠকদের স্বাগতম সেই আলোর দুনিয়ায়…
সিরাতে ইবনে হিশাম
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সিরাত এক প্রোজ্জ্বল প্রদীপ—যার সামনে আমাদের জীবন এক চিলতে সলতের মতো। এর আলোয় প্রজ্বলিত হয়ে ওঠে আমাদের জীবনবাতি। আলোকিত হয়ে ওঠে হৃদয়জগৎ। জীবনের কানাগলি ছেড়ে আমরা তখন উঠে যাই আলোর রাজপথে। ছুটে যাই ভালোর দিকে। এজন্য সিরাতের মোহন এত দারুণ। জানা ঘটনা, জানা ইতিহাস বারবার পড়ার পরেও মনের তৃপ্তি মেটে না। এ যেন সঞ্জীবনী সুধা—যত পান করি, তত উজ্জীবিত হই।
সিরাতে ইবনে হিশাম বহুলপঠিত ও সমাদৃত একটি গ্রন্থ। এটি সিরাতশাস্ত্রের প্রামাণ্যগ্রন্থ হিসেবে বরিত। সিরাতের পাঠক, লেখক, গবেষক সকলের কাছে গ্রন্থটির যথেষ্ট কদর ও ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তাই সহস্র শতাব্দীর বেশি সময় ধরে আজও এর উপকারিতা ও জনপ্রিয়তা সমান। এই গ্রন্থে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গোটা জীবনকে আলোকবর্তিকা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। যার উজ্জ্বল পাঠগ্রহণের দ্বারা সমগ্র মুসলিম উম্মাহ পাবে সঠিক পথের দিশা।
সুখী পরিবার নির্মাণের রূপরেখা
আদর্শ পরিবার সিরিজের ১ম বই ‘সুখী পরিবার নির্মাণের রূপরেখা’। যে কারণে আমরা এ বইটি পড়ব— ১. সহজ ভাষায় ও গল্পের ছলে ‘সুখী পরিবার নির্মাণের রূপরেখা’ বইটি আপনার সামনে মেলে ধরবে সুখী পরিবার গড়ে তোলার চমৎকার সব কৌশল। ২. এ বইটি নিঃসন্দেহে আমাদের হিংসা-বিদ্বেষ ও দ্বন্দ্ব-কলহের অবসান ঘটিয়ে পারিবারিক বন্ধন আরো মজবুত করে তুলবে। ৩. জীবনঘনিষ্ঠ আলোচনা ও হৃদয়ছোঁয়া গল্পে মুখরিত এ বই আপনার জীবনে এনে দেবে সুখ, সমৃদ্ধি, প্রাচুর্য আর অনাবিল আনন্দ। ৪. পরিবারকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে সুস্থ-সুন্দর সমাজ। আমাদের পরিবারগুলো সুখী হলে, সমাজ থেকে অন্যায়-অবিচার, পাপ-পঙ্কিলতা সব দূর হয়ে যাবে। তাই সুন্দর সমাজ ও পরিবার গঠনের লক্ষ্যে এ বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।
সুখের নাটাই
অন্তহীন নীলাভ আকাশ, আর আকাশের মাঝে পাখির মতো ডানা মেলে উড়ে বেড়াচ্ছে জীবন-নামক এক ঘুড়ি। ঘুড়ি যত ওপরেই উঠুক, মেঘের যত অজানা রাজ্যেই হোক তার বিচরণ, নাটাইয়ের সাথে সুতোর বন্ধনে সে যদি আবদ্ধ থাকে শেষ পর্যন্ত, তাহলে তার পথ হারাবার ভয় নেই। আমাদের জীবনে সুখের যে অন্তহীন সমুদ্র, সেই সমুদ্রে অবগাহনের আগে আমরা যদি আমাদের জীবনটাকে বাঁধতে পারি নাটাইয়ের চিকন সুতোয়, তাহলে জীবনের পথ চলাতে আমরা রচনা করতে পারি সুখময় অধ্যায়। জীবনটাকে সুখের নাটাইয়ে আটকে দিতে আমাদের এবারের আয়োজন ‘সুখের নাটাই’।
সুফিয়ান আস-সাওরি রাহিমাহুল্লাহ – জীবন ও কর্ম
সুফিয়ান আস-সাওরি রাহিমাহুল্লাহ। হিজরি প্রথম শতকের শেষভাগে জন্ম নেওয়া এ মহামনীষী ছিলেন এক প্রদীপ্ত সূর্য, যার আলোতে উদ্ভাসিত হয়েছে ইসলামি জ্ঞানের দুনিয়া। তিনি ছিলেন আকাশছোঁয়া সত্যের মিনার। মিথ্যার শত ঝড়ঝাপটা তাকে টলাতে পারেনি। তার জীবনযাপন ছিল খুব সাদামাটা। দুনিয়ার জৌলুস থেকে সবসময় দূরে থেকেছেন। এ বইয়ে তার জীবনপাঠ পাঠককে দারুণ আলোড়িত করবে, ইনশাআল্লাহ।