Filter by price
বিষয়
- অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রোডাক্টিভিটি 4
- আত্মশুদ্ধি ও আত্মোন্নয়ন 15
- আরবি ভাষা ও সাহিত্য 2
- আল্লাহর গভীর পরিচয় 4
- ইবাদত, আমল ও দুআ 8
- ইসলাম, পরিবার ও জীবন 4
- ইসলামি গল্প ও সাহিত্য 7
- ইসলামি বিধি-বিধান ও মাসআলা-মাসায়েল 4
- ইসলামের প্রাসঙ্গিকতা ও সংশয় নিরসন 6
- ঈমান ও আকিদা 2
- কিয়ামত ও পরকাল 3
- কুরআন ও জীবন 11
- জিন, জাদু ও নববি চিকিৎসা 3
- মুসলিম সভ্যতা, ইতিহাস ও ঐতিহ্য 6
- মুসলিমদের অবশ্যপাঠ্য হাদিসগ্রন্থ 2
- রামাদানের ইবাদত ও আমল 3
- রাসুলুল্লাহ ﷺ এর জীবন 9
- সন্তান প্রতিপালন 9
- সাহাবি ও মুসলিম মনীষীদের জীবনী 10
- হিদায়াত ও দ্বীনে ফেরার গল্প 6
Showing 85–96 of 118 results
মা, মা, মা এবং বাবা (২য় খণ্ড)
বাবা-মা ও সন্তানের মধ্যকার সম্পর্কটাই পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর সম্পর্ক। এই সম্পর্কের কোথাও কোনো খাদ নেই। নেই লৌকিকতা কিংবা স্বার্থপরতার ছোঁয়া। স্নেহ-মমতা, আদর-যত্ন ও নিখাদ ভালোবাসার এক অদ্ভুত মায়াবী চক্রে আবর্তিত এই সম্পর্কের প্রতিটি মুহূর্ত। আমাদের জন্ম ও বেড়ে ওঠায়, শৈশব-কৈশোরের গল্পে, আমাদের যুবক হয়ে ওঠার চিত্রপটে তারাই থাকেন মূল ভূমিকায়।
যারা নিজেদের সবটুকু দিয়ে সন্তানদের মানুষ করেন, সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য উৎসর্গ করেন নিজেদের বর্তমান; অথচ এই সন্তানদের কাছেই একটা সময়ে বাবা-মা’রা হয়ে যান অতিরিক্ত বোঝা ও অযাচিত জঞ্জাল। দুনিয়ার লোভ আর রূপের মোহে পড়ে যারা ভুলে যায় বাবা-মাদের, ভুলে যায় তাদের অবদান ও ত্যাগ-তিতিক্ষার কথা—কেমন হয় তাদের শেষ পরিণতি?
আর যেসব সন্তান জীবনভর বাবা-মা’কে আগলে রাখেন, ভালোবাসেন; সন্তান হিসেবে তাদের হক আদায়ের প্রতি থাকেন যত্নশীল—সেসব সৌভাগ্যবান সন্তানের শুভ পরিণতির গল্পগুলোই বা কেমন? এমন আনন্দ-বেদনার গল্পের সমাহার নিয়ে রচিত ‘মা, মা, মা এবং বাবা’ সিরিজ।
মায়েদের প্যারেন্টিং
মা মানে মমতার আধার। সন্তানের প্রতি মায়ের মমতা অসীম ও অতুলনীয়। সন্তান যে তার কলিজার টুকরো, বুকের মানিক, নাড়িছেঁড়া ধন। শৈশবে মায়ের স্নেহ-মমতা সন্তানের বেঁচে থাকা নিশ্চিত করে। এজন্য সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসার সাথে সাথে অনেক দায়িত্ব থাকে। সন্তান যখন একটু একটু করে বড় হতে থাকে, বাড়তে থাকে মায়ের এসব দায়িত্ব ও কর্তব্য। জীবনসংসার সামলে সন্তান প্রতিপালন করতে গিয়ে মায়েদের অনেক কঠিন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়। সন্তানের শরীরের যত্ন নেওয়া, মনের পরিচর্যা করা, তার ভেতরে ভালো কাজের বোধ তৈরি করা, মন্দ কাজের ব্যাপারে সতর্ক করা, তাকে ন্যায় ও অন্যায়ের পার্থক্য শিখিয়ে নেওয়া—সর্বোপরি সন্তানকে দ্বীন ও নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়া প্রত্যেক বাবা-মায়ের অবশ্য কর্তব্য। এ বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও উদাহরণের আলোকে বিস্তারিত আলোচনা ও নির্দেশনা রয়েছে এ বইয়ে।
মুসলিম জাতির ইতিহাস
ইতিহাস এক অনিবার্য পাঠশালা। ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ ব্যতীত কোনো জাতির পক্ষেই উন্নতির শীর্ষে আরোহণ করা সম্ভব নয়। ইতিহাসের সঠিক সিদ্ধান্তগুলোতে যেমন আমরা পথের দিশা পাই। তেমনই পূর্বসূরিদের ভুলগুলো থেকে আমরা বুঝতে পারি—কোন পথে আমাদের চলা উচিত নয়। এই জন্যই কুরআনুল কারিমে পূর্ববর্তী জাতিসমূহের বহু আলোচনা স্থান পেয়েছে। ইতিহাস এমন প্রদীপ, যার আলোয় পরিষ্কার হয়ে ওঠে ভবিষ্যতের পথ। এই জন্য আমাদের প্রত্যেকের উচিত ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা। প্রথম মানব আদম আলাইহিস সালাম থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত মুসলিমদের ইতিহাস সংক্ষেপে কিন্তু দারুণ মুনশিয়ানায় তুলে ধরা হয়েছে এ বইয়ে। একটি সুবিস্তৃত বিষয় সংক্ষেপেও কতটা আকর্ষণীয় করে তুলে ধরা যায়, এ বইটি তার চমৎকার উদাহরণ।
মুসা আলাইহিস সালামের ঘটনাবহুল জীবন এবং আমাদের জন্য রেখে যাওয়া শিক্ষা
মুসা আলাইহিস সালামের জীবন যেমন ঘটনাবহুল, তেমনই শিক্ষণীয় উপাদানে ভরপুর। তার নবি হওয়ার পূর্বাপরের ঘটনাবলি কুরআনে বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে। তার সমাজে যেসব অন্যায়, পাপাচার, অরাজকতা ও শ্রেণিবৈষম্য ছিল, তিনি সেসবের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন। আল্লাহদ্রোহী ফিরাউনকে ভোগ করিয়েছেন চূড়ান্ত পরিণতি। তার সম্প্রদায় লাভ করেছে আল্লাহর অগণিত নিয়ামত। কিন্তু তারা ছিল চরম অকৃতজ্ঞ ও অবাধ্য জাতি। আল্লাহ তাআলা তাই তাদেরকেও দিয়েছেন উচিত শিক্ষা।
কুরআনুল কারিমের বর্ণনা ও প্রসঙ্গ ধরে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এ বইয়ে। পাশাপাশি আলোকপাত করা হয়েছে আমাদের সমাজের বাস্তবতা এবং রূপরেখার ওপরও। সর্বোপরি মুসা আলাইহিস সালামের জীবনে যেসব শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে, কীভাবে সেগুলো আমরা হৃদয়ে ধারণ করব—এরও দিকনির্দেশনা রয়েছে এ বইয়ে।
মেঘ রোদ্দুর বৃষ্টি
ঘটনাবহুল জীবনের পরতে পরতে ছড়িয়ে থাকে গল্প। কিছু গল্প আনন্দের, কিছু বেদনার। দুঃখ-হাসির গল্পগুলো জীবনের নিয়ম মেনে ঘটে যায়। শিখিয়ে দিয়ে যায় জীবনবোধের পাঠ; বাতলে দিয়ে যায় বদলে যাওয়ার সূত্র। রৌদ্রময়ীদের এরকম একঝুলি গল্প-সমাহারের নাম ‘মেঘ রোদ্দুর বৃষ্টি’।
যে জীবন মরিচিকা
দুনিয়া এক দুর্নিবার মোহের হাতছানি। এই মোহনিয়া হাতছানির ইশারায় প্রলুব্ধ হয়ে মানুষ একসময় ভুলে যায় জীবনের নির্মোহ ও চিরন্তন সত্য। সেই সত্য হলো দুনিয়া তার চিরস্থায়ী কোনো আবাস নয়, ক্ষণিকের পরবাসমাত্র। তাকে একদিন সবকিছু ছেড়ে পাড়ি জমাতে হবে তার অলঙ্ঘনীয় অন্তিম পাথারে।
মানুষ জানে, একদিন জীবনের শৃঙ্খল ভেঙে যাবে, থেমে যাবে সব রঙিন স্বপ্ন; ফিকে হয়ে যাবে জীবনের সব মধুর সম্পর্ক। তবুও মানুষ ভালোবাসে মরীচিকাসম এ দুনিয়া। আর এই মরীচিকা ঘিরেই তৈরি হয়ে চলছে মানুষের অন্ধ-জীবনের ব্যস্ত-ধারাপাত।
কিন্তু মানুষকে একদিন প্রত্যাবর্তন করতেই হবে প্রস্থানের চিরন্তন নিয়মের কাছে। মিছে এ দুনিয়ার পেছনে ধাবিত বিভ্রান্ত ও মোহমুগ্ধ মানুষগুলোকে মহাসত্যের পরিচয় জানাতে আমাদের এবারের ক্ষুদ্র এ প্রয়াসের নাম যে জীবন মরীচিকা।
রিক্লেইম ইয়োর হার্ট
মানুষের সত্যিকার সংশোধন কীসে? প্রশ্নটার উত্তর অনেক রকমের হতে পারে। নিরেট বস্তুবাদী কেউ হয়তো তার বস্তুবাদী দর্শনের সঠিক বুঝটাকেই সত্যিকার সংশোধন বলতে চাইবে। কিন্তু নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের এভাবে বলেননি। তিনি জানিয়েছেন, আমাদের ভেতরে একটা মাংসপিণ্ড আছে। ওই মাংসপিণ্ড যদি সুস্থ থাকে, তাহলে আমরাও সুস্থ থাকি। আবার ওই মাংসপিণ্ড যদি অসুস্থ হয়, অসুস্থ হয়ে পড়ি আমরাও। নবিজির এই বর্ণনা থেকে আমরা জানতে পারি, শরীরের ভেতরের মাংসপিণ্ড বলতে তিনি আসলে অন্তর তথা হৃদয়কেই বুঝিয়েছেন। এই সুর আমরা কুরআনের একটা আয়াত থেকে পাই। আল্লাহ বলেছেন, ‘চোখ তো অন্ধ হয় না, বরং অন্ধ হয় বক্ষস্থিত অন্তর।’ মানুষের চোখ কখনো বিভ্রান্ত হয় না, অন্ধ হয় না। আল্লাহ বলছেন, অন্ধ হয় হৃদয়। কুরআন ও নবিজির হাদিস থেকে প্রমাণিত যে, আমাদের সত্যিকার সংশোধন মূলত অন্তর তথা হৃদয়ের পরিশুদ্ধিতে যদি আমরা আমাদের হৃদয়কে শুদ্ধ করতে পারি, জাগাতে পারি অবাধ্যতা আর অসচেতনতার গভীর ঘুম থেকে, তাহলেই হয়তো মানব-মনের সত্যিকার সংশোধন সম্ভব।ঠিক এই কাজটিই করতে চেয়েছেন লেখিকা ইয়াসমিন মোগাহেদ। বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয় এই লেখিকা তার ‘রিক্লেইম ইয়োর হার্ট’ বইতে মানুষের হৃদয়কে জাগানোর রসদ জুগিয়েছেন। ভুলে ডুবে থাকা, অচেতন হয়ে থাকা বিস্মৃত অন্তরকে টেনে তুলতে তিনি বাতলে দিয়েছেন একের পর এক উপায়। আত্মিক উন্নয়নের জন্য তিনি এমনকিছু পন্থা মেলে ধরেছেন আমাদের সামনে, যা সত্যিকার অর্থে প্রশংসার দাবিদার। সেই বইয়ের অনুবাদ ‘হৃদয় জাগার জন্য’।
শিকড়ের সন্ধানে
একটা ভাষা কিছুই না বুঝে তিলাওয়াত করছি ব্যাপারটা আমার কাছে খুবই অযৌক্তিক লাগত। কিন্তু যতবার অর্থসহ পড়তে গেছি, প্রতিবারই একদম শুরুতে গিয়েই আটকে গেছি। সূরা বাক্বারার পুরোটা জুড়ে মুসা আলাইহিস সালামের কাহিনী বলা হচ্ছে, কোথা থেকে শুরু হয়েছে, কীসের পরে কী হলো কিছুই বুঝতাম না। তাই উৎসাহ ধরে রাখতে পারতাম না।
তখন যেটা আমি বুঝি নি তা হল কুরআনের বর্ণনা পদ্ধতিটা আসলে কথোপকথনের ভঙ্গীর মতো। এটা কোনো ইতিহাস গ্রন্থ নয়, তাই কাহিনীগুলো ধারাবাহিকভাবে বলা হয় নি। অন্য কোনো উৎস থেকে কাহিনীগুলোর ক্রম না জানলে অনুবাদ পড়তে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা প্রবল, যেটা আমার হত।
এই বইয়ে তাই আমরা কুরআনে বর্ণিত বনী ইসরাইলের কাহিনী ধারাবাহিকভাবে জানার চেষ্টা করেছি, বোঝার চেষ্টা করেছি কিভাবে আমরা এক উম্মাহ থেকে ইহুদি, খ্রিস্টান এবং মুসলিম- এই তিনটা ভাগে ভাগ হয়ে গেলাম।
এই বইটা তাই ‘শিকড়ের সন্ধানে’ লিপ্ত হওয়ার একটা বিনম্র প্রচেষ্টা; আমরা কেন মুসলিম, ইহুদি বা খ্রিস্টানদের সাথে আমাদের বিশ্বাস ও আচারের পার্থক্যটা কোথায়, সেটা আবিষ্কারের একটা যাত্রা। এটা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কুরআনের ঘটনাগুলোর একটা নির্মোহ বিশ্লেষণ। নিজের অজান্তেই আমরাও কি ধারণ করে চলেছি সেই একই বৈশিষ্ট্যসমূহ, যার জন্যই আল্লাহ পূর্ববর্তীদের তিরষ্কার করেছেন? আমরা কি তাদের অন্তর্ভুক্ত, কিয়ামতের দিন তাদের যাদের ব্যাপারে অভিযোগ করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলবেন- হে আমার পালনকর্তা, আমার সম্প্রদায় এই কোরআনকে পরিত্যাগ করেছে। (সূরা ফুরক্বান, আয়াত : ৩০)
শিশুদের সমস্যা আমাদের করণীয়
আদর্শ পরিবার সিরিজের ৫ম বই ‘শিশুদের সমস্যা আমাদের করণীয়’। যে কারণে আমরা এ বইটি পড়ব—
১. শিশুদের নানারকম সমস্যা ও তার চমৎকার সমাধান খুঁজে পাবেন এ বইয়ের পাতায় পাতায়।
২. আপনার বাচ্চা কি অহরহ মিথ্যা বলে? অল্পতেই রাগ করে? রাতের বেলা একা একা ওয়াশরুমে যেতে ভয় পায়? কিংবা প্রতি রাতে ঘুমের ঘোরে বিছানা ভিজিয়ে দেয়? তবে তো এ বইটি আপনারই জন্য।
৩. আপনার সন্তান যদি পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে থাকে, ঠিক মতো খেতে না চায় অথবা অকারণে সবার সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়, তবে এমন একটি বই হাতছাড়া করা মোটেও উচিত হবে না আপনার।
৪. বুদ্ধিমান বাবা-মায়েরা কখনো সন্তানের গুরুতর সমস্যাকে বড় হতে দেয় না। তারা সমস্যার শুরুতেই সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
শিশুর মননে ঈমান
কোন দিকে অগ্রসর হবে আমাদের আগামী প্রজন্ম? কোন দিকে যাত্রা করবে নতুন দিনের অভিযাত্রীরা? তারা কি ডুবে যাবে কালের আঁধারে? বিলীন হবে অশুদ্ধতার অশুভ গহ্বরে? নাকি, তারা হৃদয়-মাঝারে বয়ে বেড়াবে আলোর ফুলকি? আলোকিত করে যাবে জনপদ থেকে জনপদ? তারা কি রাঙিয়ে তুলবে ভুবন? নতুন করে ছিনিয়ে আনবে হারিয়ে যাওয়া সোনালি প্রভাত? তারা কি বেড়ে উঠবে ফুলের কুঁড়ির মতো? প্রস্ফুটিত হবে দিগন্ত আলো করা শোভা নিয়ে? তারা কি আখিরাতেও আমাদের জন্য আলো হবে? প্রদীপের মতো হবে পথযাত্রী? আগামীর সেই অভিযাত্রীদের মনে দীপ্ত এই বিশ্বাস ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়াসেই রচিত হয়েছে ‘শিশুর মননে ঈমান’।
শেষ রাত্রির গল্পগুলো
শেষরাত্রির গল্পগুলো প্রচলিত অর্থে কোনো গল্পগ্রন্থ নয়। বলা যেতে পারে একটি গল্পের আসর। এই আসরে লেখক ও পাঠক পরস্পর গল্প করবেন। গল্প করতে করতে আনমনা হবেন। গল্প করতে করতেই চিন্তা-প্রতিচিন্তায় ঋদ্ধ হবেন এই বইয়ের উল্লেখযোগ্য-সংখ্যক প্রবন্ধগল্প লেখকের ব্যক্তিজীবন-ঘনিষ্ঠ। জীবন থেকে নেওয়া ছোট-বড় অভিজ্ঞতা, ভাবনা ও অনুভূতি এখানে মূর্ত হয়েছে একটু ভিন্ন আঙ্গিকে। সময়, বিষয়বস্তু, পূর্বাপর প্রেক্ষাপট ও উদ্দীষ্ট পাঠকের মনস্তত্ত্ব—এসবকিছু বিবেচনায় রাখলে প্রতিটি লেখা তার নিজস্ব ধাঁচেই বিশিষ্ট, নিজস্ব ছকেই স্বতন্ত্র। তাই বৈচিত্র্য লোপ না করে লেখাগুলোর চেহারা ও মেজাজ অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে এই বইয়ে। লেখাগুলোর ধরন ও প্রকৃতিতে বৈচিত্র্য আছে। কখনো হালকা চালে গল্পনির্ভর লেখা, কখনো তথ্যসূত্র ও টীকা-টিপ্পনীতে ভরপুর পুরোদস্তুর অ্যাকাডেমিক লেখার মতোই। কখনো চোখে পড়বে প্রবন্ধের মোড়কে গল্প বলার কোশেশ। অথবা গল্পের আবহে প্রবন্ধের অবতারণা।
সন্তান গড়ার কার্যকরী কৌশল
আদর্শ পরিবার সিরিজের ২য় বই ‘সন্তান গড়ার কার্যকরী কৌশল’। যে কারণে আমরা এ বইটি পড়ব—
১. শিশুকে যথার্থ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার বেশকিছু কার্যকরী ও উদ্ভাবনী কৌশলের দেখা মিলবে এখানে।
২. পড়াশোনায় শিশুদের মনোযোগ বৃদ্ধি, টিভি আর ফোনের আসক্তি থেকে মুক্তি এবং সন্তানদের মধ্যকার ঝগড়া-বিবাদ দূর করে কীভাবে তাদেরকে সুন্দর জীবন উপহার দেবেন তা জানতে পড়ে ফেলুন এ বইটি।
৩. শিশুরা বাবা-মাকে দেখেই চরিত্র গঠন করে। তাই সন্তানের সামনে নিজেকে আদর্শ এবং অনুসরণীয় ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে এ বইটি নিঃসন্দেহে অবশ্যপাঠ্য।
৪. সন্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরিতে, তাদেরকে ভদ্রতা, শৃঙ্খলা ও নীতি-নৈতিকতা শেখাতে এমন বইয়ের জুড়ি মেলা ভার।
৫. বইটি পড়লে আরো জানা যাবে, বাবা-মায়ের কোন কথা আর কাজে শিশুদের মন ভেঙে যায় এবং হতাশায় ডুবে গিয়ে তারা বিপথে চলে যায়।