Filter by price
বিষয়
- অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রোডাক্টিভিটি 4
- আত্মশুদ্ধি ও আত্মোন্নয়ন 15
- আরবি ভাষা ও সাহিত্য 2
- আল্লাহর গভীর পরিচয় 4
- ইবাদত, আমল ও দুআ 8
- ইসলাম, পরিবার ও জীবন 4
- ইসলামি গল্প ও সাহিত্য 7
- ইসলামি বিধি-বিধান ও মাসআলা-মাসায়েল 4
- ইসলামের প্রাসঙ্গিকতা ও সংশয় নিরসন 6
- ঈমান ও আকিদা 2
- কিয়ামত ও পরকাল 3
- কুরআন ও জীবন 11
- জিন, জাদু ও নববি চিকিৎসা 3
- মুসলিম সভ্যতা, ইতিহাস ও ঐতিহ্য 6
- মুসলিমদের অবশ্যপাঠ্য হাদিসগ্রন্থ 2
- রামাদানের ইবাদত ও আমল 3
- রাসুলুল্লাহ ﷺ এর জীবন 9
- সন্তান প্রতিপালন 9
- সাহাবি ও মুসলিম মনীষীদের জীবনী 10
- হিদায়াত ও দ্বীনে ফেরার গল্প 6
Showing 25–36 of 118 results
ওপারেতে সর্বসুখ
ক্ষণিকের এ দুনিয়ায় সুখী হবার জন্য কতই না তোড়জোড় আমাদের! সুখের খোঁজে আমরা ঠিক যেন যন্ত্রের মতো ছুটে চলি সারাদিন সারাবেলা। বিলাসবহুল বাড়ি, দৃষ্টিনন্দন গাড়ি আর অফুরান অর্থকড়ি—সত্যিই কি আমাদের জীবনে সুখ এনে দিতে পারে? না, কখনোই নয়। দুনিয়া কখনো পরম সুখপ্রাপ্তির স্থান নয়। আসল সুখের ঠিকানা একমাত্র জান্নাত। কেবল সেখানে গেলেই ঘুচে যাবে সব অভাব-অনটন, দূর হবে সকল দুঃখ-কষ্ট আর না-পাওয়ার বেদনা। কী আছে সেই জান্নাতে? কেন জান্নাত এত বেশি আকাঙ্ক্ষিত? কীভাবে যাওয়া যাবে সেখানে? কারা যেতে পারবে? কারা পারবে না?—এসব নিয়েই আমাদের এবারের আয়োজন ‘ওপারেতে সর্বসুখ’ বইটি।
কাজের মাঝে রবের খোঁজে
অতি ক্ষুদ্রকায় বীজ, যৎসামান্য বস্তু, অথচ একদিন সেটা বটবৃক্ষ হয়ে বিশাল আকার ধারণ করে। প্রকাণ্ড সব ডালপালা মেলে ধরে বিস্তীর্ণ পরিসরে। জগতের যা কিছু নতুন, যা কিছু সত্য আর সুন্দর, যা কিছু পরম আর পবিত্র, তার শুরু তো এই ক্ষুদ্র থেকেই। কবির ভাষায়, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণা, বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তোলে মহাদেশ, সাগর অতল। হ্যাঁ, আমরাও বুনেছি নেক আমলের বীজ। একদিন পরম যত্ন, মমতা আর ভালোবাসার ছোঁয়ায় এই বীজ পরিণত হবে গগণচুম্বী মহিরুহে। সুশীতল ছায়া, সুমিষ্ট ফল আর সবুজের মেলা—সবই তো পাব তার থেকে। প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে এমন একটি মহিরুহ দেখব বলে আমরা রোপণ করেছি ভালোবাসায় মোড়া বিশুদ্ধ এক স্বপ্নচারা। সেই স্বপ্নচারাটির নাম ‘নেক আমলের বীজ বুনে যাই’।
কারবালার প্রকৃত ইতিহাস
কারবালার ঘটনা মুসলিম জাতির ইতিহাসে এক বেদনাদায়ক অধ্যায়। এটা কোনো সাধারণ হত্যাকাণ্ড বা আত্মত্যাগের আখ্যান নয়—এর বাস্তবতা এত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক, যা পৃথিবীর সমস্ত নৃসংশতা ও পাশবিকতাকে হার মানিয়ে দেয়। ফলে হাজার বছর পেরিয়ে গেলেও এই ঘটনা মুসলিমদের হৃদয়ে বেদনার রক্তক্ষরণ ঘটায়। হয়ে ওঠে জীবন-দর্শন ও সাহিত্যের অনুষঙ্গ। এ বইটি গুণীমহল ও পাঠকসমাজে দারুণ সমাদর পেয়েছে। এতে তুলে ধরা হয়েছে কারবালার প্রকৃত ইতিহাস ও নির্ভরযোগ্য ঘটনাবলি। সচেতনভাবে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে বানোয়াট গল্পকাহিনি ও দুর্বল-অসমর্থিত বর্ণনা। সংক্ষিপ্ত পরিসরে গল্পের আবহে উঠে এসেছে কারবালা কাহিনির আগাগোড়া বিবরণ।
কিতাবুল বুয়ু
মানুষ প্রয়োজনে একে অন্যের দ্বারস্থ হয়। একজনের থেকে দরকারি জিনিসটি নিতে গেলে তাকেও উপকৃত করতে হয় কোনো না-কোনোভাবে। আবহমানকাল থেকেই এরকম লেনদেন চলে আসছে। প্রাত্যহিক প্রয়োজনীয় আদান-প্রদানই মূলত ব্যবসা। কালের আবর্তনে তাতে মানুষ যুক্ত করে কৌশল ও নিয়মকানুন। ফলে ব্যবসায় সংমিশ্রণ ঘটে ভালো ও মন্দের।
মানুষের অর্থনৈতিক দিকটি যেন স্বচ্ছ ও নির্ভেজাল থাকে, এজন্য ইসলাম উপকারী কেনাবেচাকে হালাল আর ক্ষতিকর ক্রয়বিক্রয়কে হারাম ঘোষণা করেছে। তাই প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য হলো, ব্যবসার ক্ষেত্রে হালাল-হারামের বিধান জানা। বৈধ উপায়ে সম্পদ উপার্জন করা। বেচাকেনায় কাউকে না ঠকানো।
অসৎ লোকদের প্রতারণা থেকে সাবধান থাকা। এই গ্রন্থে ইসলামি অর্থনীতির আলোকে আধুনিক বিজনেস, ব্যাংকিং, মার্কেটিং পলিসি প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
প্রতিটি বিষয়ের প্রয়োগক্ষেত্র উল্লেখ করে বর্তমান সময়ের উদাহরণ টেনে একে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। সর্বোপরি ইসলামি বিধানের আলোকে আধুনিক অর্থনীতি জানতে শিক্ষিত ও সাধারণ সকলের জন্যই গ্রন্থটি উপকারী হবে, ইনশাআল্লাহ।
কিয়ামতের আলামত ও শেষযুগের ভয়াবহ ফিতনা
নিশ্চয়ই কিয়ামত অতি নিকটে । অথচ আমরা কত উদাসীন ! আল্লাহকে ভুলে গিয়ে আকণ্ঠ ডুবে আছি পাপের সাগরে। ভ্রান্ত বিশ্বাস, ভুল ধারণা, মনগড়া প্রথা ও প্রচলিত অপব্যাখ্যায় আক্রান্ত আমাদের অনেকেই। কিয়ামত সম্পর্কে বিশুদ্ধ ও পরিপূর্ণ জ্ঞান না থাকার কারণে বহু মুসলিম আজ পথভ্রষ্টতায় নিমজ্জিত। ঈমান-আমল ও আকিদা সব যেন হারাতে বসেছে আমাদের এই প্রজন্ম ।
মুসলিম-জীবনের এ সকল গুরুতর সমস্যা নিরসনে সম্পূর্ণ কুরআন ও হাদিসের আলোকে লেখা হয়েছে ‘কিয়ামতের আলামত ও শেষ যুগের ভয়াবহ ফিতনা’ বইটি । এখানে মাহদি ও ঈসা আলাইহিমাস সালামের আগমন, দাজ্জালের ভয়াবহ ফিতনা, ইয়াজুজ-মাজুজের বিপর্যয়-সহ প্রতিটি বিষয় সবিস্তারে আলোচনা করা হয়েছে । পাশাপাশি এ বইটি থেকে আরও জানা যাবে, অতি নিকটবর্তী সেই কঠিনতম সময়ে ঈমান-আমল ঠিক রেখে কীভাবে আমরা ফিতনা থেকে বেঁচে থাকব এবং আল্লাহ তাআলার প্রিয় বান্দায় পরিণত হতে পারব ।
কুরআন সংকলনের ইতিহাস
দীর্ঘ ১৪ শ বছরেরও বেশি সময় ধরে কুরআনুল কারিম পৃথিবীর বুকে অপরিবর্তিত ও অবিকৃত অবস্থায় আছে। সময় তার ওপর এতটুকু আঁচড়ও ফেলতে পারেনি। এটা কীভাবে সম্ভব হয়েছে? যৌক্তিক খেয়ালে সেই ইতিহাস কি জানা হয়েছে কখনো? এটি কি আসলেই সেই কিতাব—যা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রচার করেছেন? অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের মতো হাতবদলের সাথে সাথে তা কি পরিবর্তন হওয়া থেকে বাঁচতে পেরেছে? কীভাবে সম্ভব হাজার বছর আগের মুখের বাণীকে অবিকল লিখে রাখা?
কুরআন সংকলনের ইতিহাস নিয়ে জিজ্ঞাসু মনে এমন প্রশ্ন আসা অস্বাভাবিক নয়। এসবের উত্তর সম্পূর্ণ অ্যাকাডেমিক আঙ্গিকে তুলে ধরা হয়েছে এ বইয়ে। ইহুদি-খ্রিষ্টানদের সূত্র ব্যবহার করে তাওরাত ও ইঞ্জিলের ইতিহাসকেও নিরপেক্ষতার জন্য পাশাপাশি রাখা হয়েছে। আল্লাহর কালাম আমাদের হাতে সঠিকভাবে পৌঁছেছে কি না, এ বইয়ে রয়েছে এর সত্যনিষ্ঠ দালিলিক বয়ান।
কুরআনের সাথে হৃদয়ের কথা
যখন হৃদয় হয় আর্ত, তৃষ্ণার্ত। যখন হৃদয় আকাশে নেমে আসে চৈত্রের দাবদাহ। যখন হৃদয়-জমিন মরুভূমির মতোন হাহাকার করে, তখন কুরআন যেন সেখানে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে নামে। উত্তপ্ত আকাশে একখণ্ড মেঘের মতো। কুরআন যেন হৃদয়ের জন্যই রচিত, অথবা হৃদয়ের জন্যই কুরআনের আগমন। হৃদয়ের সমস্ত আকুলতা-ব্যাকুলতা, সমস্ত আকাঙ্খার স্রোত যেন কুরআনের কাছে এসে থেমে যায়। কুরআনের শব্দেই হৃদয় ধ্বনিত হয়। কুরআনের ঝংকারে মধুর কল্লোল জেগে ওঠে হৃদয় সমুদ্রে। কুরআন যেন কোনো মোহিত গানের সুর যা হৃদয়কে ছুঁয়ে যায় পরম আবেশে। সেই আবেশে হৃদয়ের কথাগুলো খুঁজে পায় প্রাণ। এমন কথাগুচ্ছের সম্মিলনের নাম ‘কুরআনের সাথে হৃদয়ের কথা’।
কে উনি
এই বইতে সুদৃঢ়, সুপ্রতিষ্ঠিত ইতিহাস থেকেই একের পর এক প্রমাণ করা হবে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন নবি ছিলেন। সত্য নবি। সত্যের দিকে আহ্বানকারী আল্লাহর সত্যিকারের একজন বার্তাবাহক, মেসেঞ্জার। একজন ট্রু প্রফেট। এই বইটি পড়ে পাঠক-পাঠিকা গালে হাত দিয়ে ভাবনার অতলে তলিয়ে যাবে, ঘুমাতে পারবে না আর চিন্তায় চিন্তায়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনীর পাতায় পাতায়, কুরআনের পরতে পরতে তার নবুওয়াতের সত্যতা দেখে নিতে, ভেবে বের করে শেখার চেষ্টা করবে নিজে নিজে। উনাকে অস্বীকার করার আর কোনো ভিত্তিই খুঁজে পাবে না নিজের ভেতরে। মুখে অস্বীকার করলেও, ভেতর থেকে ঠিকই জেনে যাবে, উনি নবি, সত্য নবি। আর উনাকে নবি হিসেবে সত্য জানলেই ইসলামের সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় অন্তরের ভেতর।
খুশূ খুযূ
সালাতে দাঁড়ালেই কেমন যেন উথালপাথাল করে মন। বিক্ষিপ্ত ভাবনায়, বিচ্ছিন্ন চিন্তায় আবদ্ধ হয় মনোযোগের সমস্ত আয়োজন। কেন যেন সালাতে দাঁড়ালেই আমরা ভীষণ ব্যস্ত হয়ে পড়ি। যে মহান বাদশাহর দরবারে হাত পাতব বলে জায়নামাজ বিছাই, খানিক বাদে সেই জায়নামাজ মুখরিত হয় আমাদের অন্তরের সব অবান্তর কলরবে। যার কাছে নত করি শির, সেই শির যদি ডুবে থাকে দুনিয়াবি মগ্নতায়, করুণা লাভের প্রত্যাশা সেখানে অলীক স্বপ্নের নামান্তর মাত্র।
বৃক্ষের সঞ্জীবনী শক্তি এবং জমির উর্বরা শক্তির মতো আমাদের সালাতেরও প্রয়োজন পর্যাপ্ত প্রাণশক্তি। সূর্য যেমন উদ্ভিদে খাদ্যের জোগান দেয়, বৃষ্টিকণা যেভাবে মাটিতে সজীবতা ছড়িয়ে দেয়, অক্সিজেন যেমনি করে দেহের মাঝে বইয়ে দেয় প্রাণের স্ফুরণ, ঠিক সেভাবে সালাতকে জীবন্ত করে তুলতে প্রয়োজন হৃদয়ের একান্ত আকুতি। সেই আকুতির খোঁজে, অন্তরের সেই সঞ্জীবনী শক্তির সন্ধানে আমাদের এবারের নিবেদন ‘খুশুখুযূ’।
গল্প নয়, একমুঠো আলো
বহতা নদীর স্রোতের মতো বয়ে যায় সময়। ঢেউয়ের তোড় ঠেলে, জলকল্লোলে দুলে দুলে ছুটে চলে জীবনতরি। ঘাটে ঘাটে নোঙর করে সওদা নেয়; হাটে হাটে ফেরি করে পুঁজি জমায়। এভাবে এগিয়ে যায় অন্তিম মোহনায়। যখন সন্ধ্যা নেমে আসে, থেমে যায় ইহজীবনের বাইচ; শুরু হয় পরপারের যাত্রা। সেই যাত্রার পাথেয় এখান থেকেই সঞ্চয় করে নিতে হয়।
পার্থিব জীবনের সর্বোত্তম পাথেয় তাকওয়া তথা আল্লাহর ভয়। মুমিন বান্দার মনে সবসময় আল্লাহর ভয় থাকে। তার কথায় ও কাজে এটা ফুটে ওঠে। তাই সে জীবনযাপনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এ পাথেয় সামনে রাখে, এর আলোকে পথ চলে। এটাই ইসলামের মহান শিক্ষা, জীবন গড়ার দীক্ষা। এ বইয়ে গল্পের আবহের ভেতর দিয়ে ইসলামের এ শিক্ষাকে তুলে ধরা হয়েছে।
গল্পগুলো অন্যরকম
জীবনকে তুলনা করা যায় নদীর সাথে। নদী যে মোহনায় থামে, সেখানেই জন্ম দেয় নতুন গল্পের। নদীর প্রতিটি কল্লোল যেন একেকটি গল্প। প্রতিটি বাঁক একেকটি উপাখ্যান। অথবা, জীবনকে আমরা একটি শ্রাবণমুখর সন্ধ্যাও বলতে পারি—যেখানে ঝুম-বৃষ্টির শব্দ শোনায় গল্পের মতো, ঝিরিঝিরি স্নিগ্ধ বাতাসকে গল্পের কাহিনির মতো লাগে জীবন্ত। জীবন কি তাহলে বয়ে চলা কোনো নদী কিংবা আকাশ ভেঙে ঝরঝর করে নেমে আসা কোনো শ্রাবণ-দিনের বৃষ্টি? জীবন কি নিছক উথাল-পাতাল কোনো তরঙ্গের ভেলকি কিংবা গা শীতল করা কোনো স্নিগ্ধ বাতাসের সুর? না। জীবন এর চেয়েও বেশিকিছু। জীবন এর চেয়েও বেশি দুরন্ত, বেশি চঞ্চল আর বেশি আকস্মিক। জীবনের কাছে মাঝে মাঝে গল্পও তুচ্ছ হয়ে যায়। মাঝে মাঝে জীবন রূপকথার চেয়েও বেশি অবিশ্বাস্য হয়ে ওঠে। জীবনের বাঁকে বাঁকে, মোড়ে মোড়ে, ঘটনা-প্রতি-ঘটনায় জন্ম নেয় হৃদয়ের আকুতি-মিনতি, প্রেম-ভালোবাসা, সুখ আর দুঃখ। এজন্যেই জীবন দুরন্ত, দুর্বিনীত ও চঞ্চল। এজন্যেই জীবন অন্যরকম। সেই অন্যরকম জীবনে জন্ম নেওয়া একগুচ্ছ গল্প দিয়েই সাজানো ‘গল্পগুলো অন্যরকম’ বইটি…
গুনাহ মাফের উপায়
পানির স্পর্শে লোহায় যেমন জং ধরে, মরিচা পড়ে, গুনাহের ফলেও আমাদের অন্তরে ময়লা জমে, আত্মায় বিরাজ করে পঙ্কিলতা। মরিচা লোহাকে যেভাবে ভঙ্গুর বানিয়ে দেয়, পাপের আস্তরণ ঠিক একইভাবে আমাদের অন্তরকে করে ফেলে শুষ্ক, শক্ত ও অনুভূতিহীন। কাপড়ে ময়লা জমলে আমরা তা ধুয়ে পরিষ্কার করি; ফেলে দিই না। ক্ষুধা পেলেও আমরা খাবার গ্রহণ করি; ক্ষুধার্ত থাকি না। অথচ গুনাহের বেলায় এর ঠিক বিপরীতটাই আমরা করে থাকি।
আমরা মনে করি, গুনাহ করে ফেললে বুঝি আমাদের আর পরিত্রাণ নেই। অথচ আসমানে যিনি আছেন, তিনি রাহমানুর রাহিম। অপার দয়ার ভান্ডার সমেত তিনি তাকিয়ে আছেন—কোন বান্দা তাঁর কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করছে, তাঁর কাছে আশ্রয় চাইছে, তাঁর কাছে করজোড়ে প্রার্থনা করছে। তিনি অপেক্ষা করেন অনুতপ্ত হৃদয়ের জন্য, অশ্রুসিক্ত দুটো চোখের জন্য, কাঁপা কাঁপা দুটো হাত আর একটি নত মস্তকের জন্য। অতঃপর তিনি তাদের ক্ষমা করেন।
যেসব উপায় অবলম্বন করলে আমাদের অন্তর পরিশুদ্ধ হবে, যে আমলগুলো করলে আমাদের আত্মা কলুষমুক্ত হবে—সেসব নিয়েই রচিত হয়েছে ‘গুনাহ মাফের উপায়’ বইটি।