Filter by price
Showing 1–12 of 118 results
অবাধ্যতার ইতিহাস
যেভাবে আর যে কারণে ধ্বংস হয়েছে পূর্বের অনেক সভ্যতা, যেভাবে মানুষকে বরণ করতে হয়েছিলো আল্লাহর অনিবার্য আযাব—তার আদ্যোপান্ত জানতেই ‘অবাধ্যতার ইতিহাস’ বইটি। মোটকথা, কীভাবে আমরা ইউরোপীয় চিন্তাগুলোকে গ্রহণ করে আমাদের দ্বীন ছেড়ে দিয়েছি। তার ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে এই বইতে।
অশ্রুজলে লেখা
আমাদের যাপিত জীবনে ইসলামি মূল্যবোধের উপস্থিতি ঠিক কত খানি? প্রাত্যহিক জীবনে ঠিক কতটুকু আমরা আমাদের মৃত্যু আর পরকাল নিয়ে ভাবি? অথচ এসবকে ঘিরেই আমাদের নিত্য দিনের কার্যকলাপ প্রভাবিত হয়। হৃদয়ে আল্লাহভীতি তৈরি হয়। আমাদেরকে মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দেবে, পরকালের কথা মনে গেঁথে দেবে জীবন-ঘনিষ্ঠ এমন কিছু বাস্তব ঘটনার গল্প নিয়েই ‘অশ্রুজলে লেখা’ বইটির আয়োজন। এতটুকু দৃঢ়তার সাথেই বলা যায়—যেকোনো পাঠকের হৃদয়কেই বইটির সার্বিক বিষয়বস্তু দারুণভাবে স্পর্শ করবে। শুধু তা-ই নয়, জীবনে চলার পথেও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে, ইনশাআল্লাহ।
আকিদাতুত তাহাবি
১. আকিদা হলো এক বৃক্ষের মতো, আর আমলগুলো তার ডালপালা। বৃক্ষ ছাড়া যেমন ডালের অস্তিত্ব কল্পনাতীত, ঠিক তেমনি আকিদাবিহীন আমলও পুরোপুরি মূল্যহীন।
২. যদি দেখেন মৃত্যুর পর আপনার কোনো আমলই আর কাজে আসছে না, তখন কেমন লাগবে আপনার? হ্যাঁ, ভ্রান্ত আকিদা আমাদের সব আমল নিঃশেষ করে দেয়।
৩. আমল তখনই কবুল হবে, যখন আকিদা হবে বিশুদ্ধ। আর বিশুদ্ধ আকিদা গড়ে তুলতে এবং সে অনুযায়ী আমল করতে আজই পড়ে ফেলুন চমৎকার এ বইটি।
৪. আকিদার দুটি অংশ—মৌলিক ও শাখা-প্রশাখা। শাখাগত অংশে মতপার্থক্য থাকলেও মৌলিক অংশে কারো কোনো দ্বিমত নেই। এ বইটি আকিদার সেই মৌলিক অংশ নিয়েই রচিত।
আত্মশুদ্ধির ব্যাবহারিক পাঠ
প্রতিদিন আমাদের জীবনে কত বিচিত্র ঘটনা ঘটে । কোনোটা সুখের, কোনোটা দুঃখের । সুখের ঘটনাগুলো জীবনে আনন্দের সাময়িক পরশ বুলালেও দুঃখের ঘটনাবলি যাপনকে ব্যাকুল করে রাখে বেদনায় । লেখক এই বইয়ে দেখিয়েছেন, কীভাবে আমরা চাইলেই আমাদের জীবনের দুঃখের গল্পগুলোকে সুখের গল্পে রূপান্তর করতে পারি । দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ঘটনায় ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি লালনের নানা কলাকৌশল তিনি তুলে ধরেছেন দারুণ মুনশিয়ানায় । তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে প্রাত্যহিক জীবনে শুদ্ধাচারের মধ্য দিয়ে সমাজের সকলের কাছে প্রিয়ভাজন হওয়ার পাশাপাশি আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দাদেরও একজন হয়ে উঠব, ইনশাআল্লাহ । নিজেকে পরিশুদ্ধ করার মহান এই যাত্রায় আপনাকেও স্বাগতম।
আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক রাহিমাহুল্লাহ — জীবন ও কর্ম
জ্ঞানের রাজ্যে ডুব দেবার এক নিরন্তর অভিযান, এক অদম্য জীবনের গল্প। কখনো কেবল একটি হাদিসের জন্য তারা ছুটে গিয়েছেন এক দেশ থেকে অন্য দেশে, কখনো-বা রাতের পর রাত কাটিয়ে দিয়েছেন কোনো একটি আয়াতের নিগূঢ় অর্থ উদ্ভাবনে। তারা ছিলেন প্রাণবন্ত। সদা উৎফুল্ল। তাদের রাতগুলো ছিল ইবাদতময়। দিনগুলো কর্মমুখর। কুরআনের সাথে তাদের যেন গভীর এক মিতালি। নিঃসন্দেহে তারা সুন্নাহর অতন্দ্র প্রহরী। সত্যের এক প্রকৃত বন্ধু। মিথ্যার ঘোরতম শত্রু। তারা আমাদের মহান ইমাম। আমাদের পূর্বসূরি। সেই মানুষগুলো, যারা আলোকিত করে গেছেন আঁধারকালো পথ; দেখিয়েছেন সহজ-সরল পন্থা। আমাদের জন্য জ্ঞানরাজ্যের সকল দ্বার উন্মুক্ত করে যাওয়া সেই মহান মানুষগুলোর জীবনী আমরা মলাটবদ্ধ করেছি ‘ইমাম সিরিজ’-এ।
আর রাহিকুল মাখতুম
মহামহিম আল্লাহর পরম প্রিয় বান্দা যিনি, সমগ্র জগতের জন্য যিনি সাক্ষাৎ রহমত, যাকে কেন্দ্র করে আসমান-জমিনের এতসব আয়োজন, দেড় হাজার বছর আগে না-দেখেও যিনি আমাদের ভালোবেসেছেন, কাতর হয়েছেন আমাদের বেদনায়, না-দেখা সত্ত্বেও আমরা যাকে প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি, যার অনুপম আদর্শকে বুকে ধারণ করে হতে চাই অনন্যসাধারণ—সেই প্রিয় নবি, প্রিয়তম রাসুল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মোহরাঙ্কিত সুরভিমাখা জীবনালেখ্য এ বই।
ইসলাম নামক চারাগাছটিকে যিনি বিশাল বৃক্ষে রূপান্তরিত করেছেন, যার দাওয়াত ও মেহনতের বদৌলতে এই বৃক্ষ আরবের ঊষর মরুর বুক থেকে ডালপালা ছড়িয়েছে বিশ্বময়, দ্বীনের জন্য তাওহিদের জন্য মানবতার জন্য যিনি নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন, মক্কায় হয়েছেন সমাজচ্যুত, তায়েফে হয়েছেন রক্তাক্ত, উহুদে হয়েছেন জর্জরিত, খন্দকে পেটে বেঁধেছেন পাথর—সেই প্রিয় নবি, প্রিয়তম রাসুলের মহিমান্বিত জীবনগাথা আর আনন্দমধুর ও বেদনাবিধুর ঘটনাপ্রবাহের অনবদ্য শব্দচিত্র এ বই।
আরজ আলী সমীপে
জগতে আলো-অন্ধকারের মতো, সত্য-মিথ্যার একটা লড়াই বিরাজমান ছিল, আছে এবং শেষ দিন পর্যন্ত বহাল থাকবে। জাহিলিয়াতের দ্বন্দ্ব শেষ হয়ে যায়নি এবং যাবে না। এগুলো নানান সময়ে নানান রূপে আমাদের সামনে এসে ধরা দেবে।
‘ওটা মিথ্যা ।’
‘ওটা অযৌক্তিক ।’
‘ওটা অবিশ্বাস্য ।’
‘ওটা অবৈজ্ঞানিক ।’
‘ওটা কেবল অন্ধবিশ্বাস ।’
এরকম নানান প্রশ্ন নিয়ে হাজির হয়েছে তারা। তাদের মিথ্যাচার, যুক্তির অসারতা, অবিশ্বাসের দর্শন, পক্ষপাতী বিজ্ঞান পাঠ এবং বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগের বিপরীতে ‘আরজ আলী সমীপে’ হতে পারে একটি ভিন্নমাত্রার সংযোজন।
আরবি রস
আরবি রস’ একটি মজার বই। আরবি সাহিত্যে কত অসাধারণ রস। লুকিয়ে আছে তার সাথে বাঙলাভাষী পাঠককে পরিচিত করার প্রয়াস । আরবি সাহিত্য শুধু নয়, আরবি ভাষাটাও খুবই মজার৷ এই মজাটা । আয়ত্তে আনার কিছু কলকজা এই বইয়ের গল্প থেকে পাওয়া যাবে ।
‘আরবি রস’ সবার জন্যে। এই রস আস্বাদনের জন্যে আরবি ভাষা জানা। কিংবা আরবি ভাষার শিক্ষার্থী হওয়া আবশ্যক নয়৷ ‘আরবি রস’-এর। হাঁড়ি সবার জন্যে উন্মুক্ত৷ এ কথাও স্মর্তব্য, সবার উপযােগী করে । রচিত হলেও এটি কোনাে চটুল কৌতুকগ্রন্থ নয়। ভাষা-সাহিত্যের বিচিত্র-বর্ণাঢ্য স্বাদ উপভােগে অভ্যস্ত বা আগ্রহী পাঠকবৃন্দ ‘আরবি। রস’-এর সাথে বেশ সুন্দর সময় কাটাতে সক্ষম হবেন।
আরবি রস ২
আরবি ভাষায় যারা পারদর্শী কিংবা যারা এক-আধটু জানেন অথবা শিখছেন, তাদের জীবনে আরবি রস সিরিজটি নতুন এক মাত্রা সংযোজন করবে। জ্ঞানচর্চা ও জ্ঞানস্পৃহা বাড়িয়ে দিতে এমন বইয়ের জুড়ি মেলা ভার। লেখক যেভাবে আলাপী ঢঙে আরবি ভাষার সৌকর্য ও সৌন্দর্যের বিবরণ দিয়েছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। কখনো শব্দের খেলা, কখনো বাক্যের মেলা, কখনো বা কাব্যানুবাদের পরশ নিয়েই আরবি রস। পাঠকগণ এ সিরিজের প্রথম খণ্ডের মতো দ্বিতীয় খণ্ড পড়েও উপকৃত হবেন এবং আনন্দের সাথে, গল্পের ছলে তারা আরবি ভাষার রূপ, রস ও বৈচিত্র্য উপভোগ করতে পারবেন, ইনশা আল্লাহ।
আর্গুমেন্টস অব আরজু
আমাদের সবুজ উপত্যকায় মাঝে মাঝে কুয়াশার মতো ঘন হয়ে নেমে আসে সর্বগ্রাসী এক অদ্ভুত অন্ধকার। সেই অন্ধকার ঝেঁকে বসে আমাদের নীলাভ আকাশে। হৃদয়-প্রকৃতিজুড়ে শুরু হয় এক মহা দুর্যোগ। মায়ের গর্ভ হতে বিশ্বাসের যে অঙ্কুর আমরা বুকে ধারণ করে বেড়ে উঠি, দুর্যোগের ঘনঘটায় সেই অঙ্কুর টালমাটাল হয়ে ওঠে।
এরপর, মাঝে মাঝে কেউ আলো হাতে আবির্ভূত হয়। ডুবে যাওয়া নগরীতে এক টুকরো আলো এসে পড়ে। সেই আলোয় বিলীন হতে থাকে অন্ধকার। বিশ্বাসের যে আদিম চারাগাছকে তারা উপড়ে দিতে চেয়েছিল, সেই চারাগাছ ধীরে ধীরে বটবৃক্ষ হয়ে তাদের মাথার ওপর বিরাজমান হয়।
সেই অন্ধকার কাটাতে এই তল্লাটে যে ক’টি চরিত্র বুক পেতে দাঁড়িয়েছে, আরজু তাদের একজন। তার যুক্তি, তর্ক আর তথ্যের বাহারে সে বের করে আনে ধ্রুব সত্যকে। এভাবেই আরজু ছুটে চলে তার গন্তব্যে। কোথায় গিয়ে থামবে সে?
আল ফাওয়াইদ (মুখতাসার)
মানুষের যাবতীয় কাজকর্মের মূল নিয়ন্ত্রক তার মন। মন পরিশুদ্ধ ও প্রফুল্ল থাকলে মানুষের মধ্যে ভালোকাজের অনুপ্রেরণা জাগে। আর মন কলুষিত থাকলে হয় এর উলটোটা। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভাষ্যমতে—‘যদি মন সুস্থ থাকে, তাহলে সুস্থ থাকে গোটা দেহ। আর মন অসুস্থ হয়ে পড়লে গোটা দেহই হয়ে পড়ে অসুস্থ।’ তাই দুনিয়া-আখিরাতসহ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফল হতে হলে মনের সুস্থতার কোনো বিকল্প নেই। এজন্য নিয়মিত মনের পরিচর্যা করতে হয়। অসুস্থ হয়ে পড়লে সেবা-শুশ্রূষা করতে হয় তার। মন যেন সবসময় সঠিক পথে পরিচালিত হয়, বাঁকা পথে চলে না যায়, খেয়াল রাখতে হয় সেদিকে। ইমাম ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ মানুষের মনের চিকিৎসক। অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বুঝতে পারেন মানবমনের গতি-প্রকৃতি, তার চিকিৎসার পথ-পদ্ধতি। ‘আল-ফাওয়াইদ’ গ্রন্থটি তার সে অভিজ্ঞতারই সার-নির্যাস।
আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের আমল
অল্প আমলে অধিক সাওয়াব পেতে কে না চায়! আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে কার না ইচ্ছে করে! অথচ অধিকাংশ মুসলিমই জানে না, কীভাবে বুদ্ধি খাটিয়ে আমল করতে হয়; কোন সময় কোন আমলগুলো করলে সারারাত ঘুমিয়েও পাওয়া যায় তাহাজ্জুদের সাওয়াব, হজে না গিয়েও মিলে পূর্ণ হজের নেকি, শহিদ না হয়েও লাভ করা যায় শাহাদাতের মর্যাদা।
আল্লাহ তাআলা ইবাদতের ক্ষেত্রে এমনসব সুযোগের ব্যবস্থা করে রেখেছেন, যাতে আমরা সীমিত সময়ে এবং কম পরিশ্রমে নিজেদের আমলনামায় যুক্ত করতে পারি পাহাড়সমান সাওয়াব; পাপের সাগরে যা হবে আমাদের নাজাতের তরি। হাশরের ময়দানে সাওয়াবে ভরপুর আমলনামা দেখে নিজেরাই হয়ে যাব বিস্মিত।
এজন্য জীবনকে আমলের মাধ্যমে পরিপূর্ণ করে তুলতে এবং আল্লাহর আরও বেশি নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দা হতে আমাদের এবারের আয়োজন—‘আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের আমল’।